রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা, মৌগাছি ও কেশরহাট এলাকার অর্ধশতাধিক চাউল ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় কোটি টাকা নিয়ে এক ব্যবসায়ী উধাও হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের দাবি, শুধু নওহাটা এলাকার ২৮ ব্যবসায়ীর কাছেই ওই ব্যক্তির প্রায় ৬২ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর ব্যবসায়িক সহযোগীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা।
সোমবার সকালে নওহাটা বাজারের তপন বাবুর চাউল মিলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন স্থানীয় চাতাল ও চাউল ব্যবসায়ীরা। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ব্যবসায়ী আব্দুর রব।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রায় এক বছর ধরে মহানগরীর মেহেরচণ্ডী (কড়াইতলা) এলাকার ওয়াহিদুজ্জামান শিশু ও তাঁর ব্যবসায়িক সহযোগী আজমীর রহমানের সঙ্গে তাঁরা চাউলের ব্যবসা করে আসছিলেন। শুরুতে নিয়মিত লেনদেন ও সময়মতো পাওনা পরিশোধ করায় তাঁদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আস্থার সম্পর্ক তৈরি হয়। তবে চলতি বছরের আগস্ট থেকে পাওনা পরিশোধে অনিয়ম শুরু হয়। একাধিকবার তাগাদা দেওয়ার পরও টাকা পরিশোধ করা হয়নি বলে দাবি তাঁদের।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর তাঁরা জানতে পারেন, আজমীর রহমান এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাঁদের দাবি, নওহাটার ২৮ ব্যবসায়ীর কাছে প্রায় ৬২ লাখ এবং মৌগাছি ও কেশরহাট এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছে আরও ৪০ লাখ টাকার বেশি পাওনা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীরা আরও অভিযোগ করেন, আজমীরের ব্যবসায়িক সহযোগী ওয়াহিদুজ্জামান শিশু তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আজমীরের অবস্থান শনাক্ত করে পাওনা টাকা উদ্ধারের দাবি জানান তাঁরা। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে চন্দ্রিমা ও পবা থানায় বিষয়টি জানাতে গেলেও তাঁদের লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি।
তবে অভিযোগের বিষয়ে আরএমপির মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান বলেন, এ ধরনের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা দেওয়ানি আদালতে যেতে পারেন। তবে লেনদেনের ঘটনায় কোনো ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের দাবি, শুধু নওহাটা এলাকার ২৮ ব্যবসায়ীর কাছেই ওই ব্যক্তির প্রায় ৬২ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর ব্যবসায়িক সহযোগীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা।
সোমবার সকালে নওহাটা বাজারের তপন বাবুর চাউল মিলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন স্থানীয় চাতাল ও চাউল ব্যবসায়ীরা। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ব্যবসায়ী আব্দুর রব।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রায় এক বছর ধরে মহানগরীর মেহেরচণ্ডী (কড়াইতলা) এলাকার ওয়াহিদুজ্জামান শিশু ও তাঁর ব্যবসায়িক সহযোগী আজমীর রহমানের সঙ্গে তাঁরা চাউলের ব্যবসা করে আসছিলেন। শুরুতে নিয়মিত লেনদেন ও সময়মতো পাওনা পরিশোধ করায় তাঁদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আস্থার সম্পর্ক তৈরি হয়। তবে চলতি বছরের আগস্ট থেকে পাওনা পরিশোধে অনিয়ম শুরু হয়। একাধিকবার তাগাদা দেওয়ার পরও টাকা পরিশোধ করা হয়নি বলে দাবি তাঁদের।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর তাঁরা জানতে পারেন, আজমীর রহমান এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাঁদের দাবি, নওহাটার ২৮ ব্যবসায়ীর কাছে প্রায় ৬২ লাখ এবং মৌগাছি ও কেশরহাট এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছে আরও ৪০ লাখ টাকার বেশি পাওনা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীরা আরও অভিযোগ করেন, আজমীরের ব্যবসায়িক সহযোগী ওয়াহিদুজ্জামান শিশু তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আজমীরের অবস্থান শনাক্ত করে পাওনা টাকা উদ্ধারের দাবি জানান তাঁরা। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে চন্দ্রিমা ও পবা থানায় বিষয়টি জানাতে গেলেও তাঁদের লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি।
তবে অভিযোগের বিষয়ে আরএমপির মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান বলেন, এ ধরনের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা দেওয়ানি আদালতে যেতে পারেন। তবে লেনদেনের ঘটনায় কোনো ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :